রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় অনুমোদন ছাড়াই পাহাড় কাটার অভিযোগে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস-সংস্কার) নেতা সুদর্শন চাকমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৬(খ) ধারায় পরিবেশ অধিদপ্তর বাদী হয়ে গত ১৬ আগস্ট বাঘাইছড়ি থানায় এ মামলা করে। রোববার (১৭ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর রাঙামাটি কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মুমিনুল ইসলাম।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়— উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে প্রায় ৬০ হাজার বর্গফুট এলাকা থেকে পাহাড় কাটা হয়েছে। স্থানীয়দের তথ্য মতে, ওই পাহাড়টির মালিক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা, যিনি নিজ তত্ত্বাবধানে পাহাড় কাটার কাজ পরিচালনা করেছেন। তবে এর জন্য কোনো ধরনের অনুমোদন বা পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি।
বাঘাইছড়ি থানার ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া টিলা বা পাহাড় কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তর বাদী হয়ে মামলা করেছে। তদন্তের কাজও তারা নিজেরাই করবে।”
সংবাদমাধ্যম বাংলানিউজের খবরে বলা হয়, অভিযোগ স্বীকার করে সুদর্শন চাকমা বলেন, “নিজস্ব জায়গায় বাড়ি ও কৃষি খামার নির্মাণের জন্য কিছু মাটি কেটে জায়গা সমতল করেছি। বর্তমান বাসস্থানে বর্ষায় বন্যার পানি উঠে যায়, তাই নিরাপত্তার স্বার্থে উঁচু জায়গায় নতুন বাড়ি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এতে কিছুটা পাহাড় কাটা হয়েছে। সরকারি স্থাপনাসহ রাস্তা-ঘাট নির্মাণেও তো পাহাড় কাটতে হয়।”
-পার্বত্য সময়


