ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনজন পাহাড়ি যুবক নিহতের ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জেলা শহরের বনরূপা এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) এ কর্মসূচি আয়োজন করে।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, খাগড়াছড়ি পৌর এলাকায় ধর্ষণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক উসকানি তৈরি করে ব্যর্থ হওয়ার পর ইউপিডিএফ পরিকল্পিতভাবে গত ২৮ সেপ্টেম্বর গুইমারা উপজেলার রামসু বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে অবরোধ সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেলে সশস্ত্র ইউপিডিএফ সদস্যরা সেনাবাহিনীর উপর হামলা চালায়, এতে তিনজন সেনা কর্মকর্তা ও আরও ১০ জন সেনাসদস্য আহত হন। একই দিন রামগড় উপজেলায় বিজিবির গাড়ি ভাঙচুর করে বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়।

বক্তারা বলেন, সংঘর্ষ চলাকালে রামসু বাজারের পশ্চিম দিকের উঁচু পাহাড় থেকে ইউপিডিএফ (মূল) সশস্ত্র সদস্যরা নির্বিচারে গুলি চালালে তিনজন নিরীহ পাহাড়ি যুবক প্রাণ হারান। তারা অভিযোগ করেন- পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে সেনাবাহিনী ও সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

বক্তারা আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনা হলে পিসিসিপি আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

সমাবেশে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজ সভাপতিত্ব করেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশাররফ হোসেন সঞ্চালনা করেন। বক্তব্য দেন পিসিএনপি রাঙামাটি জেলা সহ-সভাপতি কাজী জালোয়া, এডভোকেট পারভেজ তালুকদার, যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূর হোসেন, পিসিসিপি সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।