জুরাছড়ির দুর্গম লেবারপাড়া গ্রামের বিধবা লুংঘাছড়ি চাকমার (৬৫) জীবন থেকে অবশেষে উড়ে গেল নিদারুণ কষ্ট। স্বামীর মৃত্যু এবং টিন-বাঁশের ঝুপড়ি ঘরে ঝড়-বৃষ্টির রাতগুলো তাকে দীর্ঘদিন দারিদ্র্য ও অসহায়তার সঙ্গে লড়তে বাধ্য করেছিল।
বুধবার দুপুরে জুরাছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মুশফাক আমিন চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে লুংঘাছড়ি চাকমার কাছে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন। ঘরটি পেয়ে আনন্দে কেঁদে ফেলেন তিনি এবং সেনাবাহিনীর কল্যাণ কামনা করেন।
লুংঘাছড়ি চাকমা বলেন, আমার শুধু মাথার ওপর একটি নিরাপদ ছাউনি চাওয়ার স্বপ্ন ছিল। আজ তা পূরণ হলো। সেনাবাহিনীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ।
ঘর হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়েজীদ-বিন-আখন্দ, জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইমন চাকমা, বনযোগীছড়া ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা ও দুমদুম্যা ইউপি চেয়ারম্যান শান্তি রাজ চাকমা।
মেজর মুশফাক আমিন চৌধুরী বলেন, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সেনাবাহিনী সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চায়। মানবিক সহায়তা ও চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে আরও ২০টি ঘর তৈরি করে গৃহহীনদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইমন চাকমা জানান, একজন বিধবাকে ঘর দেওয়া হয়তো ছোট উদ্যোগ, কিন্তু এর ইতিবাচক প্রভাব পুরো সমাজে পড়ে। সেনাবাহিনী পাহাড়ের মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।
-পার্বত্য সময়


