খাগড়াছড়িতে পর্যটক অপহরণে জড়িত থাকার অভিযোগে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের চার নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন- জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নোনা প্রিয় চাকমা, যুগ্ম আহ্বায়ক দীন ইসলাম পারভেজ, সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন ও আতাউর রহমান সুজন।
শুক্রবার রাতে (২৯ আগস্ট) স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তাদের বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে বহিষ্কৃতদের সঙ্গে দলের কোনো নেতাকর্মীকে যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে ছয়জন পর্যটক খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় একটি হোটেলে অবস্থান নেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে তারা রাঙ্গামাটি যাওয়ার পথে (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৩-৬৭৯৮) গাড়িটি আটকে তিনটি মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজিতে করে কয়েকজন অপহরণকারী তাদের জিম্মি করে রাঙ্গামাটির দিকে নিয়ে যায়।
অপহৃত পর্যটকরা হলেন- সিরাজগঞ্জ খুকসা বাড়ি গ্রামের বরকত আলীর ছেলে মুকাদ্দেস (৪০), সিরাজগঞ্জের পুরান বাঙ্গা বাড়ি গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে সেলিম আহমেদ (৫০), সিরাজগঞ্জের বাহীরগুলা গ্রামের অনিক তালুকদার (৪০), একই গ্রামের মমিন (৩৬), সিরাজগঞ্জের পুরান বাঙ্গা বাড়ির নিজাম (৩৫) ও ফেনীর তারেক (২৫)।
অপহরণকারীদের মধ্যে খোরশেদ আলম পর্যটকদের কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা আদায় করে দুইজনকে ছেড়ে দিলেও সেলিম আহমেদ নামের এক পর্যটককে সঙ্গে করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন মাটিরাঙা সেনা জোনের সদস্যরা বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে চার অপহরণকারীকে আটক করে। শুক্রবার বিকেলে আটক ব্যক্তিদের মাটিরাঙা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মাটিরাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় কুমার ঘোষ বলেন, মাটিরাঙা জোন কর্তৃক হস্তান্তরিত চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা হয়েছে।
-পার্বত্য সময়


