সরকারি চাকরি শুধু সুবিধা নেওয়ার জন্য নয়, বরং জনগণকে সেবা দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।
তিনি বলেন, “জনসেবার জন্যই আমাদের নিয়োগ হয়েছে। তাই সবার মধ্যে সর্বদা সেবা দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।”
সোমবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মশালাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইসিটি বিভাগ ও এটুআই’র যৌথ উদ্যোগে “ন্যাশনাল ড্যাশবোর্ড বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা” শীর্ষক প্রশিক্ষণ হিসেবে আয়োজন করা হয়।
উপদেষ্টা আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার জানলে পার্বত্য চট্টগ্রামের সম্ভাবনাকে আরও বিস্তৃত করা সম্ভব। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনকে একটি তথ্য হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন, যেখানে দেশ-বিদেশের যে কেউ পার্বত্য অঞ্চলের উৎপাদিত পণ্যের তথ্য পাবে।
সুপ্রদীপ চাকমা জানান, পাহাড়ি আম, আনারস, কলা ও ড্রাগন ফলের উৎপাদন বেড়েছে এবং কেমিক্যালমুক্ত এসব অর্গানিক ফল আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, “দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর চিন্তা ও চেতনায় পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীরাও সম-অংশীদার হতে চায়। আমাদের ঐতিহ্য, সম্পদ ও সম্ভাবনা জাতীয় উন্নয়নের অংশ হতে পারে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, ন্যাশনাল ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে সব কার্যক্রম হাতের মুঠোয় পাওয়া যাবে এবং কর্মকর্তাদের বিধি-বিধান সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটুআই’র রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট এনালিস্ট মো. আনোয়ারুল আরিফ খান, ডাটা কো-অর্ডিনেশন অফিসার মো. আশরাফুল ইসলাম, রিফাত-ই-জাহান সিদ্দিকী ও অনিক কুমার পাল।

-পার্বত্য সময়