ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের দুই দলের বিরোধ থেকেই লামায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করছে এবং দোষীদের ধরতে তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। সরকার পুলিশকে দ্রুত এ ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনের নির্দেশ দিয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মুজাহিদ উদ্দিন এবং বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার শাহিদুল্লাহ কাউসার ক্ষতিগ্রস্ত ১৯ পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এই অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। একজন ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের প্রবীণ ব্যক্তি এফআইআর-এ ছয়জন ত্রিপুরা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সদস্য এবং একজন বাঙালি মুসলিমকে অভিযুক্ত করেছেন।
পুলিশ এরই মধ্যে এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের দুই দলের দীর্ঘদিনের বিরোধ থেকেই এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম (সিএইচটি) বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আজ দুপুরে বান্দরবানের লামা উপজেলায় অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত ত্রিপুরা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের দেখতে যাচ্ছেন।
প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জরুরি ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা দিয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর স্থায়ী বাসস্থান লামার একটি নিকটবর্তী গ্রামে এবং আগুনে পুড়ে যাওয়া বাসাগুলো ছিল তাদের অস্থায়ী টং ঘর।
- -পার্বত্য সময়


