অনুকূল আবহাওয়া, কম খরচ এবং অধিক লাভের সম্ভাবনায় পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা হিসেবে দেখা দিচ্ছে গোলমরিচ। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান তিন পার্বত্য জেলায় ফলের বাগানকে কাজে লাগিয়ে সাথি ফসল হিসেবে গোলমরিচ চাষ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা।

কৃষি বিভাগ জানায়, এক সময় পাহাড়ের প্রধান জীবিকা ছিল জুমচাষ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এখন সেখানে আম, মাল্টা, লিচুসহ বিভিন্ন ফলের বাগান গড়ে উঠছে। এসব বাগানের গাছকে ব্যবহার করে লতানো উদ্ভিদ হিসেবে গোলমরিচ চাষের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছে।

দেশে গোলমরিচের চাহিদার বড় একটি অংশ আমদানিনির্ভর হওয়ায় প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। অথচ পার্বত্য অঞ্চলের অনাবাদী জমি ও উপযুক্ত আবহাওয়া এই ফসলের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মালেক বলেন, গোলমরিচ চাষের জন্য আলাদা জমির প্রয়োজন হয় না। এটি আম বা কাঁঠালের মতো গাছে ভর করে বেড়ে ওঠে। সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কম হওয়ায় উৎপাদন খরচও কম, ফলে কৃষকরা সহজেই লাভবান হতে পারেন। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক চাষে আশাব্যঞ্জক ফলাফল পাওয়া গেছে।

স্থানীয় কৃষক লাপ্রু চাই মারমা ও রূপেন চাকমা জানান, তারা পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ১০ একর জমির বিভিন্ন ফলের বাগানে গোলমরিচ চাষ করেছেন। এতে অতিরিক্ত জমির প্রয়োজন হয়নি এবং দুই বছরের মধ্যেই ফলন পাওয়া গেছে। বর্তমানে তারা ভালো উৎপাদন পাচ্ছেন।

খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক ওঙ্কার বিশ্বাস বলেন, পরীক্ষামূলক সফলতার ভিত্তিতে এখন কৃষক পর্যায়ে গোলমরিচ চাষ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ, চারা বিতরণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে এই উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে যেমন কৃষকদের আয় বাড়ছে, তেমনি দেশের আমদানিনির্ভরতা কমার সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই গোলমরিচ পার্বত্য অঞ্চলের একটি লাভজনক বাণিজ্যিক ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে এবং পাহাড়ের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করতে সক্ষম হবে।‘গোলমরিচে’ বদলে যেতে পারে পাহাড়ের অর্থনীতি

অনুকূল আবহাওয়া, কম খরচ এবং অধিক লাভের সম্ভাবনায় পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা হিসেবে দেখা দিচ্ছে গোলমরিচ। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান- এই তিন পার্বত্য জেলায় ফলের বাগানকে কাজে লাগিয়ে সাথি ফসল হিসেবে গোলমরিচ চাষ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা।

কৃষি বিভাগ জানায়, এক সময় পাহাড়ের প্রধান জীবিকা ছিল জুমচাষ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এখন সেখানে আম, মাল্টা, লিচুসহ বিভিন্ন ফলের বাগান গড়ে উঠছে। এসব বাগানের গাছকে ব্যবহার করে লতানো উদ্ভিদ হিসেবে গোলমরিচ চাষের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছে।

দেশে গোলমরিচের চাহিদার বড় একটি অংশ আমদানিনির্ভর হওয়ায় প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। অথচ পার্বত্য অঞ্চলের অনাবাদী জমি ও উপযুক্ত আবহাওয়া এই ফসলের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মালেক বলেন, গোলমরিচ চাষের জন্য আলাদা জমির প্রয়োজন হয় না। এটি আম বা কাঁঠালের মতো গাছে ভর করে বেড়ে ওঠে। সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কম হওয়ায় উৎপাদন খরচও কম, ফলে কৃষকরা সহজেই লাভবান হতে পারেন। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক চাষে আশাব্যঞ্জক ফলাফল পাওয়া গেছে।

স্থানীয় কৃষক লাপ্রু চাই মারমা ও রূপেন চাকমা জানান, তারা পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ১০ একর জমির বিভিন্ন ফলের বাগানে গোলমরিচ চাষ করেছেন। এতে অতিরিক্ত জমির প্রয়োজন হয়নি এবং দুই বছরের মধ্যেই ফলন পাওয়া গেছে। বর্তমানে তারা ভালো উৎপাদন পাচ্ছেন।

খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক ওঙ্কার বিশ্বাস বলেন, পরীক্ষামূলক সফলতার ভিত্তিতে এখন কৃষক পর্যায়ে গোলমরিচ চাষ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ, চারা বিতরণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে এই উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে যেমন কৃষকদের আয় বাড়ছে, তেমনি দেশের আমদানিনির্ভরতা কমার সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই গোলমরিচ পার্বত্য অঞ্চলের একটি লাভজনক বাণিজ্যিক ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে এবং পাহাড়ের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করতে সক্ষম হবে।