ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও রীতিনীতি মেনেই পাহাড়ে পালিত হবে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব কঠিন চীবরদান।
বুধবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার অনুষ্ঠিত কারকসভা থেকে প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবরদান উদযাপনের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার প্যাডে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুদ্ধাব্দের বর্ষাব্রত সমাপনান্তে পবিত্র আসন্ন। যা সুদীর্ঘ সময়ের বৌদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনন্য পুণ্যানুষ্ঠান। স্ব স্ব অবস্থানে পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনায় ধর্মীয় পরিবেশ বজায় রেখে শান্তি-শৃঙ্খলার সাথে পবিত্র প্রবারণা উদ্যাপন, ফানুস উড়ানো এবং কঠিন চীবর দান উদ্যাপন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়, সন্ধ্যার পূর্বে কঠিন চীবরদানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা আরও জানায়, সম্মানিত মহান ভিক্ষুসংঘ ও সন্ধর্মপ্রাণ উপাসক-উপাসিকা সকলকে যথাযথ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে শান্তি-শৃঙ্খলা ও
ধর্মীয় পরিবেশে পবিত্র প্রবারণা পূর্ণিমা ও দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান উদ্যাপন করার জন্য মৈত্রীময় আহ্বান জানাচ্ছি।
-পার্বত্য সময়


