মানিকছড়ির বুদংপাড়া এলাকায় মাদ্রাসা ছাত্র সোহেল (১৪) হত্যার ঘটনায় খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর এলাকা থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবাদ সমাবেশ।
সমাবেশে পার্বত্য নাগরিক পরিষদের নেতা আলমগীর কবির, এস এম মাসুম রানা, নিহত সোহেলের মা রাবেয়া আক্তার, নানা আবদুর রহিম ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, শিশু সোহেলকে যারা অপহরণ ও হত্যায় জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সশস্ত্র সন্ত্রাসী তৎপরতা ও অপহরণ-হত্যা বন্ধে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
গত ৪ জুলাই রাতে মানিকছড়ি উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের ছদুরখীল এলাকায় নিজ বাড়ি ফেরার পথে সোহেলকে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। পরে অপহরণকারীরা তার নানা আবদুর রহিমের কাছে ফোন করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ঘটনার পর মামলা হলে পুলিশ ১৬ জুলাই বিকেলে বুদংপাড়ার একটি ছড়া থেকে সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সোহেল শাহানশাহ হক ভাণ্ডারী সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। তিনি আবদুল জলিল ও রাবেয়া আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান।
পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন- সম্বু কুমার ত্রিপুরা (৩৬), আদি ত্রিপুরা (৩৪), মংসানু মারমা (৩৫), বাবু মারমা (৩৫), মাঈন উদ্দিন (২১), ইয়াছিন মিয়া (২৮) ও শফি উল্লাহ।
মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
-পার্বত্য সময়


