টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়। ফলে রাঙামাটির আইকনিক ঝুলন্ত সেতু এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পানির নিচে তলিয়ে আছে। নিরাপত্তার কারণে পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ থাকায় জেলার পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে।
গত ৩০ জুলাই থেকে সেতুটি পানির নিচে চলে গেলে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। প্রতিদিন শত শত পর্যটক এসে ফিরে যাচ্ছেন হতাশ হয়ে। এতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০ হাজার টাকার রাজস্ব আয় বন্ধ রয়েছে।
১৯৮৫ সালে নির্মিত ৩৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের এই সেতুটি রাঙামাটির অন্যতম পরিচিত নিদর্শন। চার দশক ধরে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এটি প্রধান আকর্ষণ হলেও পানির নিচে ডুবে যাওয়ায় এখন এলাকা সুনসান।
সেতুকে ঘিরে গড়ে ওঠা দোকানপাট, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও নৌকা ভাড়ার ব্যবসা প্রায় বন্ধ। মৌসুমি ফল বিক্রেতারা জানান, টানা এক মাস আয় বন্ধ থাকায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
রাঙামাটি পর্যটন মোটেলের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা গণমাধ্যমে জানান, হ্রদের ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট হলেও সেতুটি ১০৭ ফুট উচ্চতায় নির্মিত হওয়ায় প্রতি বছরই ডুবে যাচ্ছে। ড্রেজিংয়ের অভাবেও পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। তিনি বলেন, একই স্থানে নতুন আধুনিক সেতু নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রাঙামাটির পর্যটনে নতুন গতি আসবে।

-পার্বত্য সময়