খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা ‘বিশেষ বিবেচনায়’ প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে আপিল আবেদনের শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তার প্রার্থিতা বহাল রাখেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাতে জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জিরুনা ত্রিপুরার ভোটার সমর্থন দেখানোর কথা ছিল ৪ হাজার ৭৪১ জন। তবে তিনি ৬১৩ জন ভোটার সমর্থকের স্বাক্ষর জমা দিয়েছিলেন। ভোটার সমর্থকের সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য ঘাটতির অভিযোগ তুলে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরবর্তীতে ইসি শুনানি শেষে ‘বিশেষ বিবেচনায়’ তার আবেদন মঞ্জুর করেন এবং প্রার্থিতা ফেরত দেন।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর জিরুনা ত্রিপুরা বলেন, পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এত সংখ্যক মানুষের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে যথেষ্ট সময় পাইনি। বাছাইয়ের সময় সমর্থকদের নিয়ে যাওয়ার পরও লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে সময় শেষ হয়ে যায়। ফলে রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন।
তিনি আরও বলেন, আমার আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের হিসাব করলে মোট ৪ হাজার ৭৪১ জনের স্বাক্ষরের প্রয়োজন পড়ে। সেখানে আমি দেখিয়েছিলাম ৬১৩ জনের স্বাক্ষর।
জিরুনা ত্রিপুরা ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়ে দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন। পরে ২০২৫ সালের ৭ জুলাই তাকে সাময়িকভাবে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ১৪ অক্টোবর স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হয়।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় তিনি খাগড়াছড়ি আসনে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।


