পার্বত্য চট্টগ্রামে যোগাযোগের নতুন মাইলফলক সীমান্ত সড়ক
সীমান্তের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পর্যটন শিল্পের বিকাশের লক্ষ্যে সরকার ১ হাজার কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রথম পর্যায়ে ৩১৭ কিলোমিটার কাজ শেষ হচ্ছে।
আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ, গভীর প্রতিবেদন এবং এক্সক্লুসিভ কভারেজের সাথে আপডেট থাকুন। বর্তমানে এই বিভাগে মোট ১,৩১৫ টি সংবাদ রয়েছে।
সীমান্তের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পর্যটন শিল্পের বিকাশের লক্ষ্যে সরকার ১ হাজার কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রথম পর্যায়ে ৩১৭ কিলোমিটার কাজ শেষ হচ্ছে।
ওই জাহাজের ত্রু লিস্ট থেকে জানা যায়, এম ভি আবদুল্লাহর মাস্টার বা ক্যাপ্টেন হিসেবে আছেন চট্টগ্রামের রাশেদ মোহাম্মদ আব্দুর, চিফ অফিসার হিসেবে রয়েছেন চট্টগ্রামের খান মোহাম্মদ আতিক উল্লাহ এবং সেকেন্ড অফিসার হিসেবে আছেন চট্টগ্রামের চৌধুরী মাজহারুল ইসলাম।
বান্দরবানের রুমার বেথেল পাড়া কমিউনিটি সেন্টারে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি ও কেএনএফের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মত সরাসরি এই বৈঠক হয়।
এর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জনসংখ্যার দিক থেকে চতুর্থ বৃহত্তম জনগোষ্ঠি তঞ্চঙ্গ্যাদের মধ্য থেকে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে সংসদে গেলেন জ্বরতী তঞ্চঙ্গ্যা। এর আগে ১৯৮৬ সালে মালতী রাণী তঞ্চঙ্গ্যা সংরক্ষিত আসনে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
কেএনএফের বিপথগামী সদস্যদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে ও পাহাড়ে সংঘাত বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আহত মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী ও ইউপি সদস্য লায়লা বেগম।
রাঙামাটি লিগ্যাল এইড কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে জেলায় ১ হাজার ৩৩২টি মামলার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ২৭২টি আপস মীমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় ও ওইপাড়ের কিছু লোক তেল ও খাদ্যপণ্য পাচারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। প্রশাসন থেকে এটা দ্রুত রোধ করা দরকার। এভাবে দেশের সম্পদ অন্য দেশে চলে গেলে ক্ষতির মুখে পড়ব আমরা।
কুইক রেসপন্স সেবা প্রদান, সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ কার্যক্রম ও বিবিধ কর্মকান্ডের জন্য এই পদক পেলেন জাহেদুল
দূষণের শিকার পাহাড়ি ছড়াটির নাম মানিকছড়ি ছড়া। বিসিকের শিল্প প্লট ঘেঁষেই বয়ে গেছে ছড়াটি। দক্ষিণে অন্তত ১০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে ছড়াটি কাপ্তাই হ্রদে মিশেছে। ছড়ার ১০ কিলোমিটার ওই অংশে দুই পারে নয়টি গ্রাম রয়েছে।
প্রয়াত মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার অনুসারী দাবি করে জেএসএস (এমএন লারমা) গঠন করে। এদিকে প্রায় ২০ বছর পরে ইউপিডিএফ আরেকদফা ভাঙ্গনের মুখে পড়ে। ২০১৭ সালে এটি ভেঙে আরেকটি সংগঠন ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নামে আরেকটি সংগঠনের জন্ম হয়। এভাবে দল-উপদল বৃদ্ধির সাথে সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামে এই দল বা সংগঠনগুলোর পরস্পরের মধ্যে প্রতিযোগিতা দ্বন্দ্ব-সংঘাত বেড়েই চলছে।
এর আগে গত বছরের ১৬ মার্চে বান্দরবান জেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকাগুলোতে যৌথ বাহিনীর জঙ্গি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের কারণে নিরাপত্তা বিবেচনায় রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেয় জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ভোর ৫টা থেকে ১২টি বাসে করে উখিয়ার ইনানী উপকূলের নৌবাহিনীর জেটি ঘাট এলাকায় আনা হয়। এসব নাগরিকদের বেশিরভাগই মিয়ানমারের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য।
রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিয়ালদহলুই মৌজার গন্ডাছড়া-মালেংপাড়া মধ্যকার এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বন উজাড়ের ফলে সৃষ্ট খাদ্য সংকট এবং হাতির চলাচলের করিডোরে মানুষের উপস্থিতি ও বসতি গড়ে তোলার ফলে হাতি-মানুষ মুখোমুখি হচ্ছে। এ দ্বন্দ্বের কারণে অনেকেই প্রাণ হারাচ্ছেন হাতির আক্রমণে।
পাইন্দু ইউপি চেয়ারম্যান উহামং মারমা বলেন, অপহরণের ঘটনার অভিযোগ সম্পর্কে সরকারি গোয়েন্দাসহ উপজেলা প্রশাসন খবর পেয়েছে।
আশ্রয় নেয়া বিজিপি সদস্যের মধ্যে ১৫ জনের বেশী সংঘর্ষে আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৫ জন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সোমবার রাতে অপর ৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার বিকেল থেকে থেমে থেমে গোলাগুলি হচ্ছিল। আজ আবার ভোর থেকে লাগাতার গোলাগুলি, মার্টার শেল নিক্ষেপ ও রকেট লান্সার বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম-তুমব্রুর বিস্তীর্ণ এলাকা।
হত্যাকাণ্ডের মূলে কারা রয়েছে এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের জীবনের নিরাপত্তা নেই। কখন মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে প্রাণ হারাতে হয় তার কোনো গ্যারান্টি নেই।’