মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছেন, পেন্টাগন ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ জড়িয়েছে। একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ১০ জুলাই কংগ্রেসে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প জানান, ৭ জুলাই থেকে নতুন করে হামলা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, এই সামরিক অভিযান ‘যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার সাংবিধানিক দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’
চিঠিতে হামলাগুলোকে ‘সীমিত, পরিকল্পিত, নিয়ন্ত্রিত এবং বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি সর্বনিম্ন রাখার উদ্দেশ্যে পরিচালিত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ার্স রেজোলিউশন অনুযায়ী, কোনো সামরিক অভিযান শুরু করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসকে তা জানাতে হয়। এছাড়া, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া শুরু হওয়া সামরিক অভিযান ৬০ দিনের বেশি চালানো যায় না।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে এবং এপ্রিল মাসে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। তবে যুদ্ধবিরতির পরও পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত থাকে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে।
ওয়ার পাওয়ার্স রেজোলিউশন অনুযায়ী প্রথম ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ হয় ১ মে। তবে ট্রাম্প কংগ্রেসের অনুমোদন চাননি। তার দাবি ছিল, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকায় ওই আইনের বিধান এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
এরই মধ্যে কংগ্রেসের উভয় কক্ষ একটি ওয়ার পাওয়ার্স রেজোলিউশন পাস করেছে, যেখানে ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক সংঘাত থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা


