২০ হাজার টাকা চুক্তিতে দালালের মাধ্যমে বাংলাদেশে ঢুকছে রোহিঙ্গারা
বাংলাদেশের আপত্তি সত্ত্বেও অত্যাচারের মুখে নাফ নদ পাড়ি দিয়ে রোহিঙ্গারা দলে দলে ঢুকে পড়ছে বাংলাদেশে। এর সুযোগ নিচ্ছে টেকনাফ ও উখিয়ার স্থানীয় দালালচক্র।
আমাদের জাতীয় বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ, গভীর প্রতিবেদন এবং এক্সক্লুসিভ কভারেজের সাথে আপডেট থাকুন। বর্তমানে এই বিভাগে মোট ১,৩১২ টি সংবাদ রয়েছে।
বাংলাদেশের আপত্তি সত্ত্বেও অত্যাচারের মুখে নাফ নদ পাড়ি দিয়ে রোহিঙ্গারা দলে দলে ঢুকে পড়ছে বাংলাদেশে। এর সুযোগ নিচ্ছে টেকনাফ ও উখিয়ার স্থানীয় দালালচক্র।
বাংলাদেশ যদি পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারে, তাহলে এই দফায় আরো এক লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা আছে।
যুক্তরাষ্ট্রে হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে তাদের দেশে পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত হয়নি বলেও বৈঠকে জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টা এ প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
তৌহিদ হোসেন রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ইউএনএইচসিআর’কে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি যে আমাদের পক্ষে আর রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়া সম্ভব নয়।’
এর আগে শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর ) কক্সবাজারের সীমান্ত দিয়ে এসেছে আরও দুই শতাধিক। গত দুই সপ্তাহে উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে এসেছে কমপক্ষে আট হাজার রোহিঙ্গা। নাফ নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে এসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে।
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের তিন দিন পর ৮ আগস্ট নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়কসহ এ সরকারের সদস্যসংখ্যা ২১।
মিয়ানমারের সামরিক জান্তা এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সংঘর্ষের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে আবারও রোহিঙ্গা ঢল নেমেছে বাংলাদেশের দিকে।
৭ দিনের আলটিমেটাম দিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম পাহাড় কেটে বসতবাড়ি নির্মাণকারীদের নিজ দায়িত্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
আন্দোলকারীদের ঠেকাতে বুধবার সকাল থেকে ওয়াসা ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অফিস করেছেন ওয়াসার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান হিসেবে আগামী ৩ বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম।
মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১.৫ মিলিয়ন রোহিঙ্গাকে তাদের স্বদেশে ‘স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ’ প্রত্যাবাসনে ইউএনএইচসিআর'র সহায়তা চেয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে এ পর্যন্ত সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুর-সহ হাসিনা সরকারের ২৭ মন্ত্রী ও ১৪ সংসদ সদস্যের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীরা নিজেদের দুর্দশা সত্ত্বেও বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
উপদেষ্টা এ সময় রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন ও প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন। হাইকমিশনার জানান, রোহিঙ্গাদের সহায়তার ক্ষেত্রে অর্থায়নে যুক্তরাজ্য দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। বিগত ৭ বছরে দেশটি রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৪শ’ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করেছে।
উখিয়ার কুতুপালং, পালংখালী, বালুখালীসহ বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা মাঝিদের (নেতা) নেতৃত্বে নগদ টাকা ও চাল সংগ্রহের পর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে তুলে দেবেন বলে জানিয়েছেন তারা।
সাত বছরে আশ্রয়শিবিরগুলোয় একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি এবং পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৪৬ জন। বিপরীতে মামলা হয়েছে ২৩৩টি। আসামি ১ হাজার ৬৪৮ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আরসা প্রধান আতা উল্লাহ আম্মার জুনুনী, নবী হোসেন বাহিনীর প্রধান ও ইয়াবা চোরাচালানের মূল হোতা নবী হোসেন। তবে আসামিদের ৭০ শতাংশ ধরাছোঁয়ার বাইরে।
বর্তমানে ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি আশ্রয় ক্যাম্পে বসবাস করছে। কবে তারা স্বদেশে ফিরবে তা এখনও অনিশ্চিত। তবে দীর্ঘ সাত বছরেও তাদের প্রত্যাবাসন আলোর মুখ না দেখলেও মিয়ানমারে আরও একটি গণহত্যার শিকার হচ্ছে রোহিঙ্গারা।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ক্ষতিগ্রস্ত সদস্যদের এবং মিয়ানমার, বাংলাদেশসহ আশপাশের অঞ্চলে সংকটে ক্ষতিগ্রস্তদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এই বাঁধ খুলে দেয়ায় ভারতের পানি ঢুকে হঠাৎ বন্যা পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে বাংলাদেশের ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলে। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা দাড়িয়েছে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলায়।

রাতে যখন বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলাম। তখন হঠাৎ করে ২০-৩০ জনের অস্ত্রধারী রোহিঙ্গা ডাকাতদল বাড়িতে এসে হানা দেয়। পরে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ ও মারধর করে আমার দুই ছেলে রাসেল ও তারেককে তুলে নিয়ে যায়।