এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হয়েছে। অন্যদিকে ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছরের তুলনায় এবার শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৭৮টি।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের মোট ৩০ হাজার ৪০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬৬৯টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। বিপরীতে ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯৮৪টি। একই বছর শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান ছিল ১৩৪টি। সে হিসাবে এবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে, আর শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান ৩১২, বেড়েছে ১৭৮টি
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে।

শূন্য পাসের ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২২৬টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

২০২৫ সালে শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। এক বছরের ব্যবধানে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩১২টি। অর্থাৎ এবার শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ১৭৮টি।

কমেছে শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান
অন্যদিকে এবার শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬৬৯টি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৯৮৪টি। ফলে এক বছরের ব্যবধানে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ৩১৫টি।

অর্থাৎ ২০২৬ সালের ফলাফলে একদিকে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে, অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে।

এর আগে, সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে নিজ নিজ বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করেন।