বান্দরবানে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-এর একটি গোপন আস্তানা থেকে উদ্ধার হওয়া চারটি আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে দু’টি অস্ত্র পুলিশের বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৯ জুলাই) দৈনিক নয়াদিগন্তের খবরে বলা হয়- রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহরাওয়ার্দ্দী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ৩ জুলাই সেনাবাহিনীর অভিযানে উদ্ধার হওয়া তিনটি সাবমেশিনগান (এসএমজি) ও একটি চাইনিজ রাইফেলের মধ্যে দু’টি অস্ত্র ২০২৩ সালে কেএনএফ কর্তৃক লুট হওয়া অস্ত্রভাণ্ডারের অংশ ছিল।
২০২৩ সালের মার্চে রুমা ও থানচি উপজেলার সোনালী ও কৃষি ব্যাংকের তিনটি শাখায় হামলা চালিয়ে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর মোট ১৪টি অস্ত্র লুট করেছিল কেএনএফ। এর মধ্যে ছিল পুলিশের দুটি এসএমজি, আটটি চাইনিজ রাইফেল এবং আনসার সদস্যদের চারটি শর্টগান। সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া দু’টি এসএমজি সেই লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যেই পড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ৩ জুলাই বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের মুয়ালপি পাড়া এলাকায় কেএনএফের একটি গোপন আস্তানায় অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। অভিযানে দু’জন কেএনএফ সদস্য নিহত হয়। পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে তিনটি এসএমজি, একটি চাইনিজ রাইফেল, সাড়ে চারশ’রও বেশি রাউন্ড গুলি ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় উদ্ধার করা অস্ত্রের উৎস নিশ্চিত করতে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে তদন্ত চলছে। এখনও বাকি অস্ত্রগুলোর কোনো হদিস না মিললেও সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
-পার্বত্য সময়


