নান্দনিকতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক নতুন সংযোজন হিসেবে রাঙামাটিতে গড়ে তোলা হচ্ছে ‘লেকভিউ গার্ডেন’। জেলা শহরের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান ফিসারি ঘাট সড়কের পাশে ৬৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই গার্ডেন নির্মাণ করছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের রাঙামাটি বিভাগ।
বর্তমানে প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে পার্কের ভেতরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সওজ চট্টগ্রাম জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আতাউর রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সওজ চট্টগ্রাম জোনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. জাহেদ হোসেন, চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহে আরেফিন, রাঙামাটি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
সওজ সূত্রে জানা গেছে, ‘লেকভিউ গার্ডেন’ হবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর পরিকল্পিত নগর নান্দনিকতার এক মিলনস্থল। এখানে শতাধিক প্রজাতির দেশি-বিদেশি উদ্ভিদের সমন্বয়ে একটি সমৃদ্ধ উদ্ভিদ সংগ্রহশালা গড়ে তোলা হবে। সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে থাকবে ওয়াকওয়ে, ছাউনি ও বসার স্থান।
সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আতাউর রহমান বলেন, “সড়ক বিভাগ শুধু সড়ক উন্নয়নেই নয়, নগর পরিবেশ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। রাঙামাটির মতো সম্ভাবনাময় এলাকায় ‘লেকভিউ গার্ডেন’ শহরের সৌন্দর্য যেমন বাড়াবে, তেমনি পর্যটকদেরও আকৃষ্ট করবে।”
তিনি আরও জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৯০ লাখ টাকা, যা রাজস্ব খাত থেকে অর্থায়ন করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ প্রকল্পটি সওজের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
স্থানীয়দের মতে, এই গার্ডেন চালু হলে ফিসারি ঘাট এলাকার পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে এবং শহরের প্রাণকেন্দ্রে একটি মানসম্মত পার্কের অভাব পূরণ হবে। এটি একদিকে যেমন স্থানীয় মানুষদের জন্য অবসর সময় কাটানোর একটি সুন্দর স্থান হবে, তেমনি রাঙামাটির পর্যটন শিল্পেও নতুন মাত্রা যোগ করবে।

-পার্বত্য সময়