রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সংকট দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাত পরিস্থিতি আরও উসকে দিয়েছে। আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও বান্দরবানে।

এই অবস্থায় সহযোগিতা বা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অজুহাতে মিয়ানমারে ঘাঁটি গাড়তে পারে মার্কিন বাহিনী। চলমান উত্তেজনায় এমন আশঙ্কা বিশ্ব রাজনীতি বিশ্লেষকদের। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় মিয়ানমারের বন্ধুরাষ্ট্র ভারত, চীন ও জাপানের সঙ্গে জোর আলোচনার তাগিদ দিচ্ছেন তাঁরা। না হলে আঞ্চলিক সংকট আরও জটিল হতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

এমন উত্তেজনার মধ্যে বিশ্লেষকেরা সামনে এনেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বার্মা অ্যাক্টকে। ২০২২ সালে মার্কিন সিনেটে পাস হয় আইনটি। এরপর থেকে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী গেরিলা এবং সংখ্যালঘু জাতিসত্তার সশস্ত্র দলগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাড়তি সহায়তা আশা করছে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদের আশঙ্কা, বার্মা অ্যাক্টের মাধ্যমে সহযোগিতার অজুহাতে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক তৎপরতা চালাতে পারে। অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র একটা বার্মা অ্যাক্ট করেছে তারা হয়তো ভবিষ্যতে আরও অ্যাক্ট নিয়ে আসবে।

তার মানে তারাও এখানে একটা নজর দিয়েছে। সেই নজরটা ভারত বা চীন চাইবে কি না—সেটাও দেখার বিষয়। সেই জায়গায় আমার মনে হয় কত তাড়াতাড়ি এটা সমাধান করা যায় তার জন্য তাদেরও একটা বড় ভূমিকা প্রয়োজন। কারণ, সমাধান যদি না হয়, তাহলে এমন একটা অবস্থায় যাবে তখন এই পুরো অঞ্চলই একটা ঝামেলায় পড়ে যাবে। সেই জায়গায় আমার মনে হয় এই মুহূর্তে আমাদের আন্তর্জাতিকরণ বিষয়টা আরও বাড়ানো দরকার।

 

-পার্বত্য সময়