মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের তোড়জোড় জান্তার
দেশটির নির্বাচন কমিশন এবং সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত একাধিক মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু করে দিয়েছে ।
আমাদের আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ, গভীর প্রতিবেদন এবং এক্সক্লুসিভ কভারেজের সাথে আপডেট থাকুন। বর্তমানে এই বিভাগে মোট ৪১৪ টি সংবাদ রয়েছে।
দেশটির নির্বাচন কমিশন এবং সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত একাধিক মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু করে দিয়েছে ।
গত মাসে শত শত সেনা সহ সংখ্যালঘু বিদ্রোহী যোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন ওই সেনা কর্মকর্তারা। খবর এএফপির
রাখাইনের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চল মংডুর মুসলিম নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর কমান্ডাররা। ওই বৈঠকে সেনা কমান্ডাররা মুসলিম নেতাদের প্রস্তাব দিয়েছেন, যদি তারা জান্তা বাহিনীর হয়ে কাজ করেন; তাহলে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হবে।
সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানান।
গত সপ্তাহে সেনাবাহিনী বলেছে, তারা সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদানের বাধ্যতামূলক আইনটি কার্যকর করবে। এই আইনে ১৮-৩৫ বছর বয়সী পুরুষ ও ১৮-২৭ বছর বয়সী নারীদের জন্য অন্তত দুই বছর সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সিতওয়েতে বাংলাদেশ মিশনে স্থানীয় কর্মচারীরা অবস্থান করছে এবং তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
ঘোষিত ওই পদক্ষেপে বলা হয়, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব যুবক ও ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী সব যুবতীকে সামরিক বাহিনীর অধীনে দুই বছর কাজ করতে হবে। আর কোনও বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
এই যুদ্ধ মনিটরিং করছেন একজন রাখাইন অধিকারকর্মী, তিনি বলেছেন ওই তিনটি শহর থেকে সামরিক জান্তার সেনাদের একেবারে তাড়িয়ে দেওয়া গেছে, এমনটা এত তাড়াতাড়িই বলা যাবে না।
সম্প্রতি একটি সামরিক হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীটির যোদ্ধাদের একটি ছবি পোস্ট প্রকাশ্যে আসে। এর কয়েক দিন পর হেলিকপ্টারটি ভূপাতিত করার কথা নিশ্চিত করল আরাকান আর্মি।
চলমান উত্তেজনায় এমন আশঙ্কা বিশ্ব রাজনীতি বিশ্লেষকদের। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় মিয়ানমারের বন্ধুরাষ্ট্র ভারত, চীন ও জাপানের সঙ্গে জোর আলোচনার তাগিদ দিচ্ছেন তাঁরা। না হলে আঞ্চলিক সংকট আরও জটিল হতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
পেরাক প্রাদেশিক পুলিশের প্রধান মোহাম্মদ ইউশরি হাসান বাসরি সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।
থাইল্যান্ডের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তারা প্রত্যাশা করেন পরিকল্পনাটি ১০ সদস্যের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোটের (আসিয়ান) শান্তিপ্রক্রিয়ার প্রচেষ্টাকে জোরদার করবে। তাদের এ প্রচেষ্টার চূড়ান্ত লক্ষ্য সংঘাত নিয়ন্ত্রণে আনা। সংলাপের পথ খোলা।
মিয়ানমারের প্রভাবশালী ইংরেজি সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতীর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের পুরানো রাজধানী শহর ইয়াঙ্গুন ও অন্যতম বড় শহর মান্দালয়সহ বিভিন্ন শহরে রোহিঙ্গাবিরোধী পোস্টার, ব্যানার ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে।
এ ছাড়া মিয়ানমারে নির্যাতনের জেরে বাংলাদেশে অবস্থান নেওয়া রোহিঙ্গারা যাতে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, সম্মানের সঙ্গে ফিরতে পারে, তার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (পিডিএফস) ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর আক্রমণে দিশেহারা জান্তা সরকার। গত তিনদিনে সাগাইং, মাগওয়ে ও মান্দালয় অঞ্চল ও কাচিন ও কারেন রাজ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
ইউরোপের অধিকাংশ দেশই কর্মী সংকটে ভুগছে। নানা পদক্ষেপেও সমাধান মিলছে না। এজন্য নতুন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কমিয়ে আনা হয়েছে কর্মঘণ্টা। একইসঙ্গে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ছুটি।
পরিবারহারা অনেক শিশু তাদের নাম বলতেও পারে না। তারা একটি ভয়ংকর নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে নিজেদের।
জেনারেল তুন মিয়াত নাইং বলেন, মুক্তির জন্য মিয়ানমারের জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই করার এখনই শ্রেষ্ঠ সময়। আরাকান আর্মি তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী লড়াই অব্যাহত রাখবে।
সংঘাত থেকে বাঁচতে শত শত মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে অন্য এলাকায় পালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া সামরিক বাহিনীর নির্বিচার গোলাবর্ষণে অনেকে নিহত ও আহত হয়েছেন।
খবর অনুসারে, মিয়ানমারের নির্যাতিত ধর্মীয় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গারা আচেহ উপকূলে নামার পর স্থানীয়দের প্রত্যাখ্যান ও শত্রুতার সম্মুখীন হয়েছে। ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার রোহিঙ্গা এসেছে।