ভারতের রাজধানী দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের নেতারা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান এবং অনেক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে ও অন্যান্য ১০০-এর বেশি বিরোধী সাংসদকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
সকালে সংসদ ভবন থেকে নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও করার উদ্দেশ্যে প্রতিবাদী পদযাত্রা শুরু করে বিরোধী দলগুলো। তারা ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (SIR) বা ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ তুলে এ কর্মসূচি নেয়। নির্বাচন কমিশন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিলে বিরোধীরা ৩০ জন প্রতিনিধি পাঠানোর কথা জানান। কিন্তু দিল্লি পুলিশ অনুমতি না দিলেও মিছিল সংসদ ভবন থেকে বের হয়ে কিছুদূর এগোলে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকা পড়ে। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের বাধার মুখে অনেক সাংসদ রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান।
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র ও সুস্মিতা দেবসহ অনেকে এই বিক্ষোভে অংশ নেন। মিছিল থেকে ‘গলি গলি মে শোর হ্যায়, নরেন্দ্র মোদি চোর হ্যায়’ স্লোগান ওঠে। বিক্ষোভ দীর্ঘক্ষণ চলে, পরে পুলিশ ১০০-এর অধিক সাংসদকে গ্রেপ্তার করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যায়।
এই ঘটনায় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী বলেন, “তারা কথা বলতেই চায় না, কারণ তারা সত্য লুকাতে চাইছে। এটা রাজনৈতিক লড়াই নয়, সংবিধান বাঁচানোর লড়াই। আমরা চাই সঠিক ভোটার তালিকা।”
প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, “বিজেপি ভয় পেয়েছে, তাই পুলিশকে ব্যবহার করে বিরোধীদের চুপ করানোর চেষ্টা করছে।”
অন্যদিকে বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “বিরোধীরা এখনো একটি অভিযোগের প্রমাণও দিতে পারেনি।”
-পার্বত্য সময়


