রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন করে ৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের (প্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার) সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ বিষয়ক প্রথম উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে এ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ৬০ মিলিয়ন ডলার (৬ কোটি) এবং যুক্তরাজ্য ৩৬ মিলিয়ন ডলার (৩ কোটি ৬০ লাখ) সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ভাষণ দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র শান্তিপূর্ণ সমাধান হলো তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন। এর জন্য রাখাইনে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ প্রয়োজন।”
এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশে সাত দফা প্রস্তাব দেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো— রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে মিয়ানমার ও আরাকান সেনাবাহিনীর ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টি, সম্প্রতি পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার উদ্যোগ, রাখাইন সমাজে রোহিঙ্গাদের টেকসই সংহতকরণ এবং মাদক ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ।
অধ্যাপক ইউনূস আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ক্রমেই কমে আসছে। তাই একমাত্র টেকসই পথ হলো তাদের প্রত্যাবাসন শুরু করা। রোহিঙ্গারা ধারাবাহিকভাবে মাতৃভূমিতে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করছে।”


