সচিবালয়ের আগুন সম্পূর্ণ নিভতে সময় লাগলো ১০ ঘণ্টা
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পুরোপুরি নিভে যায়। এর আগে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে বলা হয়েছিল, আগুন লাগার ৬ ঘণ্টা পর আজ সকাল ৮টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
আমাদের জাতীয় বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ, গভীর প্রতিবেদন এবং এক্সক্লুসিভ কভারেজের সাথে আপডেট থাকুন। বর্তমানে এই বিভাগে মোট ১,২৪৪ টি সংবাদ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পুরোপুরি নিভে যায়। এর আগে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে বলা হয়েছিল, আগুন লাগার ৬ ঘণ্টা পর আজ সকাল ৮টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
আমরা রোহিঙ্গা জাতি প্রয়োজন হলে নিজ দেশ মিয়ানমার আজাদের জন্য রক্ত বিসর্জন দিতে হলেও দেবো। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নয় বরং আরাকানে গিয়ে রক্ত দিয়ে আরাকান স্বাধীন করতে হলে করবো।
আগুনে পুড়ছে ৫৪৪ টি বসত ঘর, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, লার্নিং সেন্টার, শিশুবান্ধব কেন্দ্র, নারী বান্ধব কেন্দ্র, মসজিদ, এতিমখানা, টয়লেট, বিভিন্ন এনজিও সংস্থার অফিস, দোকান সহ নানা স্থাপনা। আগুনে ক্ষতি হয়েছে ৫৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার।
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবার আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার পাঠানো চিঠি (কূটনৈতিক নোট) পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে ভারত।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিও কর্মী কামাল বলেন, ‘আমরা অফিসে কাজ করছিলাম। হঠাৎ শুনি মানুষের চিৎকার। পরে দেখি আগুন।
মিয়ানমারের বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি কর্তৃক বন্দর শহর মংডু দখলে নেয়ার পর ক্ষুব্ধ জান্তা বাহিনী রাখাইনে সে দেশের পণ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে আরাকানে নিত্যপণ্যের সংকট ক্রমশ বাড়ছে। চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে আরাকান আর্মিকে।
জান্তা সরকার আরাকান আর্মির কাছে পরাজিত হওয়ার পর চাপে পড়েছে সেখানে বসবাসরত রোহিঙ্গারা। তাদের অনেকের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। জীবন বাঁচাতে মংডু ছেড়ে অনেক রোহিঙ্গা নানা কৌশলে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ছে।
সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমাদের নীতিগত অবস্থানের কোনো পরিবর্তন আসেনি। রোহিঙ্গাদের কোনো অবস্থাতেই প্রবেশ করতে দেব না। যারা অসুস্থ, শুধু তারাই মানবিক দিক বিবেচনায় আশ্রয় পাচ্ছেন।
স্বাধীনতার পর কোনো সরকারের আমলে বাড়াবাড়ি কমেনি, সকল ধর্মের মানুষ বাড়াবাড়ির শিকারে পরিণত হয়েছে। ধর্ম চাপিয়ে দেওয়ার কোনো বিষয় না। এই চাপাচাপি সব ধর্মে ঘটে। আমরা এর নিন্দা জানাই। ধর্মে চাপাচাপির কোনো জায়গা নেই।
আমাদের দাবিগুলো নিশ্চিত করা হলে আমরা স্বেচ্ছায় নিজ দেশ মিয়ানমার চলে যেতে চাই।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে এ টাস্কফোর্স। এর লক্ষ্য থাকবে চিপ ডিজাইন, টেস্টিং ও অ্যাসেম্বলি কার্যক্রমের উন্নয়ন এবং সেক্টরের জন্য একটি সুসংগঠিত রোডম্যাপ প্রণয়ন।
রোহিঙ্গাদের জন্য রাখাইনে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে সেফ জোনের প্রস্তাব দিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ম্যাথিও মিলার বলেন, আমরা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা সংঘাত এবং এর ফলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বিগ্ন। রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট সমাধানে সহায়তা আমাদের জন্য একটি অগ্রাধিকারের বিষয়। বাংলাদেশের জনগণ এবং সরকার বার্মায় নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় প্রদানে উদারতা দেখিয়েছে। আমরা রোহিঙ্গা এবং মিয়ানমারের অন্যান্য সম্প্রদায়ের সদস্যদের যারা দেশটিতে আশ্রয় নিয়েছে তাদের সহায়তার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব।
১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের (মিয়ানমারের) ফেরত নিতে হবে। আজ হয়তো ফেরত পাঠাতে পারব না, কেননা যুদ্ধ চলছে, তবে যখন সেটেলমেন্ট হবে, তখন আমাদের একটাই লক্ষ্য, এই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাব।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধান কীভাবে করা যায়, সে বিষয়ে পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আরাকান আর্মির সাথে যোগাযোগের উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি–সংক্রান্ত বিশেষ প্রতিনিধি খলিলুর রহমান।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ টেকনাফ-২ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর সৈয়দ ইশতিয়াক মুর্শেদ বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় নাফ নদীতে টহল জোরদার করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ চেয়ারম্যান, সচিব ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গা নাগরিকদের অবৈধ জন্মনিবন্ধন করেছেন।
চন্দন দাস চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি সেবক কলোনির বাসিন্দা। বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ভৈরব রেলস্টেশনের পাশে মেথরপট্টিতে শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলো।