জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক সই
সমঝোতা স্মারকের আওতায় তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি, গবেষণা, জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।
আমাদের জাতীয় বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ, গভীর প্রতিবেদন এবং এক্সক্লুসিভ কভারেজের সাথে আপডেট থাকুন। বর্তমানে এই বিভাগে মোট ১,৪৭২ টি সংবাদ রয়েছে।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি, গবেষণা, জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।
পারমাণবিক নিরাপত্তা এখন বহুমাত্রিক কাঠামোর অংশ, যেখানে শারীরিক সুরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ হুমকি প্রতিরোধ, জরুরি সাড়া ব্যবস্থা এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও জানান প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা।
‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্পের মাধ্যমে সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট অঞ্চলে লবণাক্ততা হ্রাস, সুন্দরবনের জন্য মিঠাপানির সরবরাহ নিশ্চিত, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্য রয়েছে।
সাক্ষাৎকালে ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক ২০২৪ সালের জুলাই থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদার ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বৈঠকে ওআইসি সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশকে বিভিন্ন খাতে—বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, টেক্সটাইল ও ওষুধ শিল্পসহ—সহযোগিতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
সরকার মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তির যেসব শর্ত রাষ্ট্রের জন্য সমস্যাজনক বা ক্ষতিকর হতে পারে, সেগুলো চিহ্নিত করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে।।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার-পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এমন ঘোষণার প্রেক্ষিতে এ মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় মাদক পাচার ও মাদক সংশ্লিষ্ট অর্থপাচার রোধে দুই দেশ তথ্য আদান-প্রদান এবং কারিগরি সহায়তা জোরদার করবে। পাশাপাশি মাদক অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী চক্র এবং নতুন পাচারপদ্ধতি ও রুট সম্পর্কেও নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করা হবে।
বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিল্প, ডিজিটাল অর্থনীতি, পানি সম্পদ ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় উচ্চমানের প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্মত হয় দুই দেশ।
নেতারা বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের স্থায়ী আবাস নয়; তাদের প্রকৃত ঠিকানা মিয়ানমার। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বাংলাদেশ সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
ভাসানচর থানার ওসি কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, রান্নার কাজে ব্যবহৃত একটি গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে আশপাশে থাকা লোকজন দগ্ধ হন।
বক্তারা বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে একাধিক সংস্থা কাজ করলেও বাস্তব ক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সাক্ষ্যপ্রমাণ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, রোহিঙ্গাদের উচ্চ ঝুঁকি, পুলিশের অতিরিক্ত চাপ, ঘন ঘন বদলি এবং থানায় মামলা নিতে জটিলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
জ্বালানি নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও দেশে দ্বিতীয় কোনো তেল শোধনাগার গড়ে ওঠেনি, যা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। বর্তমানে ইস্টার্ন রিফাইনারি একমাত্র শোধনাগার হওয়ায় দেশের চাহিদার তুলনায় কম জ্বালানি পরিশোধন সম্ভব হচ্ছে এবং বাকি অংশ উচ্চমূল্যে আমদানি করতে হচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী, বাংলা ভাষাভাষীসহ ১২টি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর সহাবস্থান আছে। আমরা চেষ্টা করছি, ওই এলাকায় সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষের জীবনযাত্রার মান সমভাবে উন্নয়ন করে সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করতে।’
প্রায় প্রতিদিনই এসব পণ্যের কিছু অংশ জব্দ করা হলেও থেমে নেই পাচার। মিয়ানমারে চলমান অভ্যন্তরীণ সংঘাতে মিয়ানমারে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। বেড়ে গেছে দামও।
তাহসান জানান, তিনি এমন অনেক পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন যারা অকল্পনীয় ক্ষতি ও কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছে। তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি তাকে অনুপ্রাণিত করে এবং সেই গল্পগুলো তিনি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে চান।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে আমরা সকল জাতিগোষ্ঠীর মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সমতার ভিত্তিতে বসবাস করছি। বর্তমান সরকার এই অঞ্চলের দুর্গম এলাকায় সকল প্রকার নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
দুই পক্ষই পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় উন্নীত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, নিয়মিত মতবিনিময় এবং দ্বিপক্ষীয় সফর বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের বিষয়েও আলোচনা হয়।
নিহত রবিউল আউয়ালের পিতা রুহুল আমিন জানান, রাতে মুজিব তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে যান। সকালে পাহাড়ে লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে গিয়ে তিনি ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে জাপানের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।