পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় বিএনপি মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী যারা
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি আসনে আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ান এবং বান্দরবানে সা চিং প্রু জেরী মনোনয়ন পেয়েছেন।
আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ, গভীর প্রতিবেদন এবং এক্সক্লুসিভ কভারেজের সাথে আপডেট থাকুন। বর্তমানে এই বিভাগে মোট ১,৫৬৪ টি সংবাদ রয়েছে।
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি আসনে আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ান এবং বান্দরবানে সা চিং প্রু জেরী মনোনয়ন পেয়েছেন।
অপহরণের পরদিন, শনিবার (১ নভেম্বর) মিলনের স্ত্রী কুয়েলী চাকমার কাছে ফোন করে ইউপিডিএফ (প্রসিত) সদস্যরা ৭৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতোই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। এটি কোনোভাবেই সামরিক শাসন বা দখলদারিত্বের প্রতিফলন নয়।
বান্দরবানে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং অনেকে পরিবেশের ক্ষতি করে নির্বিচারে পাহাড় কাটছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়, ইয়েন ইয়েন, প্রসীত বিকাশ খীসা, নাথান বম ও সন্তু লারমাসহ বেশ কয়েকজন আঞ্চলিক নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
সংবর্ধনা শেষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও ফুলে সাজানো গাড়িতে করে তাকে খাগড়াছড়ি থেকে নিজ বাড়ি চট্টগ্রামে পৌঁছে দেওয়া হয়।
কবাখালী বাজার এলাকার একটি ডেকোরেশন দোকান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আবু ছিদ্দিক রাঙামাটির লংগদু উপজেলার ৫ নম্বর সোনাই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আবু তাহেরের ছেলে।
“এই কাঠ পাচারচক্রের সঙ্গে ইউপিডিএফ (প্রসীত)-এর সদস্যরা সরাসরি জড়িত। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও বনজ সম্পদ পাচারসহ নানা অপরাধে লিপ্ত।”
অনুষ্ঠানটি ধর্মীয় হলেও এর পেছনের উদ্দেশ্য ভিন্ন বলে মনে করছেন স্থানীয়দের একটি বড় অংশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, সম্প্রতি লক্ষ্মীছড়ির বর্মাছড়ি মুখ পাড়ায় সেনাবাহিনীর একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল।
বক্তারা বলেন, সংঘর্ষ চলাকালে রামসু বাজারের পশ্চিম দিকের উঁচু পাহাড় থেকে ইউপিডিএফ (মূল) সশস্ত্র সদস্যরা নির্বিচারে গুলি চালালে তিনজন নিরীহ পাহাড়ি যুবক প্রাণ হারান। তারা অভিযোগ করেন- পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে সেনাবাহিনী ও সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
চুরির অভিযোগ অস্বীকার করলে ইউপি সদস্য ও তার সহযোগীরা প্লাস ও লাঠি দিয়ে দুজনকে মারধর করেন। ভিডিয়ো ফুটেজে প্লাস দিয়ে একজনের হাতের নখ টেনে তুলতে দেখা যায়।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় একটি স্থিরচিত্র ব্যবহার করে ওই ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে। মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামানের কথার ভঙ্গি ও ঠোঁটের নড়াচড়ায় অসঙ্গতি মিলেছে, যা এআই-নির্ভর ডিপফেক ভিডিওতে সাধারণত দেখা যায়।
সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক বলেন, আমরা কোনো বিভাজনের রাজনীতি করি না। মানবিক সহাবস্থানই আমাদের শক্তি। শান্তি, উন্নয়ন ও ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম এগিয়ে যাবে।
আইএসপিআর জানায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ির রামসু বাজার এলাকায় ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলিতে তিনজন পাহাড়ি যুবকের প্রাণহানি ঘটে। এ হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনী সিদ্ধান্ত নেয় পার্বত্য অঞ্চলের সেসব দুর্গম এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি অভিযান পরিচালনার, যেখানে এখনো কোনো স্থায়ী ক্যাম্প নেই এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নির্বিঘ্নে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
শিক্ষিকা বলেন, ‘এরপর আমাকে জোর করে জঙ্গলে নিয়ে যায়। এবং আমাকে বলে এখন আমি যা বলি তাই করতে হবে। আমিতো স্যার ভয় পেয়ে গেছি, এক পর্যায়ে আমি হাতে পায়ে ধরি উনাকে বলছি দাদা আপনি যদি টাকা চান আমি আপনাকে টাকা দিব।
অলি আহমদ বলেন, চট্টগ্রাম নিয়ে অনেকে ষড়যন্ত্র করছে। আমি সেনাপ্রধানকে বলবো- কারও কথা শুনবেন না। এটা বাংলাদেশের অংশ। যেখানে প্রয়োজন ক্যাম্প করবেন, সেটাই আপনার দায়িত্ব। সন্তু লারমার কথায় চলবে না। এই ভূখণ্ড আমাদের টেরিটরি; প্রতিটি অংশ আমরা রক্ষা করতেই হবে।
মৃত্যুর পরও শাবকের পাশে সতর্ক অবস্থায় থাকা মা হাতিটি মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই তেড়ে আসছিল; ফলে দীর্ঘ সময় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়।
সূত্র বলছে, ইউপিডিএফের সশস্ত্র কমান্ডার অর্কিড চাকমার সরাসরি পরিকল্পনায় এই ক্যাম্প স্থাপন বন্ধ বা উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ১২ থেকে ১৩ হাজার উপজাতি জনসাধারণের সমাগম ঘটিয়ে একটি বিশাল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করা হচ্ছে।
তিন বিদ্যালয়ে কর্মরত ১৫ জন শিক্ষকের মধ্যে ১৩ জনের বিরুদ্ধে দফতরে অনুপস্থিত থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থানজামা লুসাই।
স্থানীয়রা বলেন, শহরের প্রাণকেন্দ্রে লেকঘেঁষা মনোরম পরিবেশে দাঁড়িয়ে থাকা স্থাপনাটি ইতিহাস-ঐতিহ্যের অংশ। শুধু স্থাপনা নয়, দেশ ও বিদেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতি জড়িয়ে আছে এর সঙ্গে।