খাগড়াছড়িতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসাইন। তিনি জানান, মরদেহটির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য এটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ, গভীর প্রতিবেদন এবং এক্সক্লুসিভ কভারেজের সাথে আপডেট থাকুন। বর্তমানে এই বিভাগে মোট ১,৩১৫ টি সংবাদ রয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসাইন। তিনি জানান, মরদেহটির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য এটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে তিন দিন অকটেন ও তিন দিন ডিজেল সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এসব লঞ্চ পরিচালনায় দৈনিক প্রায় ১০০০–১২০০ লিটার জ্বালানি প্রয়োজন। তবে ঈদের পর থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় সেবা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অপহৃত রিদুয়ান কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনীয়া এলাকার বাসিন্দা। তার স্বজনদের দাবি, অপহরণের পর অজ্ঞাত স্থান থেকে অপহরণকারীরা যোগাযোগ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে।
বান্দরবান জেলাধীন সব উপজেলার স্থায়ী (মহিলা) বাসিন্দা। দুর্গম এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত নারী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সংকট মোকাবিলায় সীমিত পরিমাণে নির্দিষ্ট সময়ে ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছে
পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, সকালে সন্ত্রাসীরা নীতিদত্ত চাকমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোর মধ্যে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, আলুটিলা গুহা, তেরাং তৈকালাই ঝর্ণা, জেলা পরিষদ পার্ক এবং চেঙ্গী নদীর তীর এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। বিশেষ করে রহস্যঘেরা আলুটিলা গুহা দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, আধাপাকা টিনশেডের পরিত্যক্ত কক্ষে একটি তাক ছাড়া তেমন কোনো মালামাল ছিল না। দীর্ঘদিন ধরে রেস্টুরেন্টটিতে বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধূমপানের আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।
স্থানীয়দের ধারণা, মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওই এলাকায় উত্তেজনা চলছিল।
বুধবার (১৯ মার্চ) রাঙামাটি কলেজ গেইট সংলগ্ন মোটেল জর্জ অডিটোরিয়ামে ‘মানবিক ফান্ড রাঙ্গামাটি’ উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হতদরিদ্রদের মাঝে মানবিক সহায়তা ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাজিরহাট হাইওয়ে পুলিশ–এর তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম–খাগড়াছড়ি মহাসড়কের প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকায় ২০২৫ সালে মোট ২৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন। আর ২০২৬ সালে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে এখন পর্যন্ত ১১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১০ জন।
পার্বত্য অঞ্চলের ভৌগোলিক বাস্তবতায় রাঙামাটি জেলা শহরের সঙ্গে ছয়টি উপজেলার প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম নৌপথ। ফলে জ্বালানি সংকটের কারণে নৌযান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। আসন্ন ঈদুল ফিতর সামনে রেখে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নৌযান মালিকরা।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সমতল জেলার তুলনায় বান্দরবানের ভূপ্রকৃতি ভিন্ন। জেলাজুড়ে রয়েছে অসংখ্য উঁচু-নিচু পাহাড়, বিস্তৃত বনাঞ্চল এবং সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য। পাহাড়ি ভূখণ্ড হওয়ায় সমতল ভূমির পরিমাণ তুলনামূলক কম। ফলে জেলার অনেক মানুষ পাহাড়ের পাদদেশ কেটে বসতি গড়ে তুলেছে।
আগুনে ভবনের ভেতরে থাকা প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জোড়া বেঞ্চসহ বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী পুড়ে গেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাবে এতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর পরিকল্পনা অনুযায়ী আধুনিক, উন্নত ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।
অতীতে অনেকেই সত্য গোপন করে তাদের প্রশ্রয় দিয়েছে। তবে এখন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে সত্যকে সামনে রেখে কাজ করার সময় এসেছে। তিনি জানান, বম সোশ্যাল কাউন্সিল প্রত্যেক পাড়ায় গিয়ে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে কোনো বম পরিবারকে উচ্ছেদের মুখে পড়তে দেওয়া হবে না।
তার দাবি, অথচ ওখানে এমন কিছু হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত রাখতে ডিফেন্স ফোর্সকে অনেক ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করতে হবে। কিন্তু সেটা যদি আবার হিউম্যান রাইটস কমিশনের ভেতরে ১০০ শতাংশ নিয়ে আসি, তাহলে সেটা আরও বড় থ্রেট হয়ে যাবে।
বর্তমানে মাত্র ১২ ফুট প্রশস্ত এক লেনের এই সড়ককে ১৮ ফুট প্রশস্ত দুই লেনে উন্নীত করা হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬১ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই আঞ্চলিক মহাসড়কটি প্রশস্ত ও আধুনিকায়ন করা হবে। একই সঙ্গে নতুন করে ৮৫টি কালভার্ট নির্মাণ এবং বিদ্যমান ১৩টি কালভার্ট সম্প্রসারণ করা হবে।
রাঙামাটি জেলার ছয়টি উপজেলায় নৌপথই প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। এসব এলাকা থেকে কৃষক ও সাধারণ মানুষ জ্বালানি সংগ্রহের জন্য শহরে এলেও দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না।